মেহেরপুরের ইতিহাস
ব্রিটিশ আমল থেকে মুক্তিযুদ্ধ — মেহেরপুরের গৌরবময় ইতিহাস
মেহেরপুরের ইতিহাস বহু শতাব্দীর পুরনো। ষোড়শ শতাব্দীতে সাধক মেহের আলী শাহের সময়ে এই অঞ্চলের নামকরণ হয় বলে ধারণা করা হয়। ব্রিটিশ শাসনামলে মেহেরপুর নদিয়া জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ মহকুমা ছিল। ১৮৫৪ সালে মেহেরপুর মহকুমা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
মেহেরপুর পৌরসভা বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন পৌরসভা — ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর মেহেরপুর পাকিস্তানের কুষ্টিয়া জেলার মহকুমা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। অবশেষে ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৪ সালে এরশাদ সরকারের বিকেন্দ্রীকরণ কর্মসূচির আওতায় মেহেরপুর স্বতন্ত্র জেলার মর্যাদা লাভ করে।
১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের মুজিবনগরে বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করে।
সাধক মেহের আলী শাহের নামে মেহেরপুরের নামকরণ
আমঝুপিতে নীলকুঠি স্থাপন। ব্রিটিশ আমলে নীলচাষের সূচনা হয়
মেহেরপুর মহকুমা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপিত
মেহেরপুর মডেল হাই স্কুল ও ভাটপাড়া নীলকুঠি স্থাপিত হয়
দেশভাগের পর মেহেরপুর পাকিস্তানের কুষ্টিয়া জেলার মহকুমা হয়
মেহেরপুর পৌরসভা গঠিত হয়
মেহেরপুর সরকারি কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়
মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে মেহেরপুর প্রথম মুক্ত এলাকাগুলোর একটি হয়ে ওঠে। ৩০-৩১ মার্চ গাংনীতে পাকবাহিনীকে পরাজিত করা হয়
মুজিবনগরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করে। তাজউদ্দীন আহমদ প্রধানমন্ত্রী হন। মুজিবনগর বাংলাদেশের প্রথম রাজধানী
পাকিস্তানি সেনারা আমঝুপিতে ৮ জন নিরীহ মানুষকে হত্যা করে। মেহেরপুর কলেজের পেছনে গণহত্যা সংঘটিত হয়
বাংলাদেশ স্বাধীন হলে মেহেরপুর মুক্ত হয়
এরশাদ সরকারের বিকেন্দ্রীকরণ কর্মসূচিতে মেহেরপুর স্বতন্ত্র জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়
মুজিবনগর আলাদা উপজেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়